এসএসসি রেজাল্ট

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=120706949124818&id=100035565396551&sfnsn=mo

আমি একজন সন্তান বলছি

বিয়ের মাধ্যমে পরিবার গঠিত হয়।তারপর স্বামী-স্ত্রীর শারিরিক মিলনের মাধ্যমে সন্তান জন্মগ্রহণ করে।এভাবে পূর্ণতা পায় একটা পরিবার।বাবা-মার আদর স্বানিধ্যে সন্তান বেড়ে ওঠে।একজন সন্তানের কাছে সবচেয়ে আনন্দদায়ক মূহুর্ত হচ্ছে বাবা-মার সাথে কাটানো সময়।সন্তান যদি তার বাবা-মার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দেখে তাহলে খুব আনন্দিত হয়।কিন্তু বর্তমানে সমাজে বাবা-মায়ের মধ্যে জটিল সম্পর্ক অত্যধিক।প্রতিদিন হাজারো মা-বাবা নিজেদের সন্তানের ভবিষ্যত চিন্তা না করে পারস্পরিক সম্পর্ক চুকিয়ে ফেলছে।একটা বার চিন্তা করছে না তাদের সন্তানরা এই থেকে কি নেতিবাচক দিকটি গ্রহণ করছে।বাবা-মার জটিল সম্পর্কের বেদনায় সন্তানের কোমল হ্নদয় বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।সে বড় নিঃসঙ্গ হয়ে যায়,বিষণ্নতায় ছেঁয়ে যায় তার ভাবনা।সে তীব্র হতাশায় ভোগে।একটা সময় সে খুব অপরাধ প্রবণ হয়ে উঠে।পৃথিবীর অনেক ভয়ংকর সিরিয়াল কিলারদের জীবনী ঘাটাঘাটি করলে আমরা দেখব তাদের বাবা-মার মধ্যে সম্পর্কটা নিন্মমানের।ছোট বেলায় যে সন্তান তার বাবা-মার কাছ থেকে ভালোবাসা পায় না সে খুব তীব্র কষ্টে ভোগে।একসময় সে কষ্ট পেতে পেতে এতই হতাশ হয়ে যায় যে বড় হয়ে সেও অন্যদের কষ্ট দিতে চায়।আবার,অনেক বাবা মা তার সন্তানের কথা ভেবে হয়তো বিচ্ছেদে যায় না।কিন্তু তাদের সম্পর্কটা এই ক্ষেত্রে সন্তানের মধ্যে তীব্র হতাশার জন্ম দেয়।এধরনের সম্পর্কে সন্তান তার মা-বাবার জটিল সম্পর্ক টা খুব কাছ থেকে দৃষ্টিগোচর করে।যার ফলে সে প্রতি মূহুর্ত চায় তার বাবা মা যেন আবার হাসি খুশি,বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে ফিরে যায়।যখন সে দেখে তার বাবা-মা জটিল সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসছে না তখন সে নিজের আত্নহননের মধ্যে সমাধান খোঁজার চেষ্টা করে কিংবা মাদকের মধ্যে ডুবে যায়।যা খুব ভয়াবহ।মা-বাবাদের বলি একটা সন্তানের আলোকিত সুন্দর নির্মল জীবন নষ্ট করার অধিকার আপনাদের কেউ দেয় নি।আশা করি আপনারা নিজেদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের নতুন দিক উন্মোচিত করবেন।নতুবা ইতিহাস আপনাদের বারবার বিদগ্ধ করবে।

নাস্তিকতা,প্রসঙ্গ সাফা কবির

বাংলাদেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন তারকা সাফা কবিরের রেডিও তে দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আমার এই লেখা।সাফা কবির বলেছেন,তিনি পরকালে একদম বিশ্বাস করেন না।যথারীতি শুরু হয়ে গেলো সমালোচনা।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নব্য নাস্তিক বলে উপস্থাপন করা হলো।যারা ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে খুব সামান্য জ্ঞান রাখেন,তারা নিশ্চয়ই জানেন পরকালে বিশ্বাসী না হলে কেউ নাস্তিক হয় না।কাফের হয়।সাফাকে কোন যুক্তিতে নাস্তিক বলা হচ্ছে বোধগম্য নয়।তারপর হলো নাস্তিকতা।নাস্তিকতা কথা এটা একটা মতাদর্শ,বিশ্বাস।যে কেউ নাস্তিক হতে পারে এটা তার গণতান্ত্রিক ব্যাপার।এখন সাফা যদি নাস্তিক হয় তাহলে আমাদের আপত্তি করার কথা নয়।কারন,স্বয়ং আল্লাহ পবিত্র কুরাআনের সূরা আল বাকারার ২৫৬নং আয়াতে বলেছেন,দীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই।অর্থাৎ যার ইচ্ছে হবে সে ধর্ম পালন করবে যার ইচ্ছে হবে না সে পালন করবে না।যার ইচ্ছে হবে সে ধর্মবিশ্বাসী হবে,যার ইচ্ছে হবে না সে ধর্মবিশ্বাস নাই করতে পারে।এখন সাফা কবিরের যদি ধর্ম বিশ্বাসী হতে মন না চাই সে ধর্মবিশ্বাস করবে না।সে তো বাংলাদেশের মুসলমানদের বলে নাই যে,তোমরা আমার সাথে পরকালে বিশ্বাস করা ছেড়ে দাও।এই কথা কী বলেছে বলে নাই।তাই তার ব্যক্তিগত বিশ্বাস নিয়ে অযথা আমরা মাথা ঘামিয়ে তাকে কী বেশি গুরুত্ব দিয়ে ফেলছি না?তারপর আমি দেখলাম সাফাকে নিয়ে আমার বন্ধুতালিকার একাধিক বন্ধু বিষেদাগার করছেন।আমি সেখানে নাক গলাতে চাই না।তবে যেটা বলবো সেটা হলো অনেকে তাকে হাতের কাছে ফেলে ধর্ষণ করবেন,হত্যা করবেন,অশ্লীল গালি দিচ্ছেন(অশ্লীলতা এতো বেশি কাব্যময়ী যে সে শব্দ লেখার যোগ্যতা এখনো আমার হয়নি!)।আবার সাফার ভেরিফাইড পেইজে গিয়ে দেখলাম একই ব্যাপার। নিজেদের কে সবাই বাংলাদেশের সম্ভাব্য রেপারদের তালিকায় রাখার জন্য চেষ্টা তদবির করেছেন।আপনাদের কে বলি সাফা তো পরকালে বিশ্বাস করে না তাই সে যে কোনো অপরাধ করতেই পারে।কিন্ত আপনারাতো নিজেরা পরকালে বিশ্বাসী।তো পরকালে বিশ্বাসী ব্যক্তিরা কী কখনও অন্যকে ধর্ষণ করার কথা বলে?হত্যা করার জন্য বলে?দেশ থেকে বিতাড়িত করার কথা বলে?যে ইসলাম ধর্ম শালীনতার শিক্ষা দেয় সেই ধর্মের অনুসারীরা কীভাবে এতটা অশালীন,অশ্লীল ভাষায় কথা বলে?এতো সময় সাফা কবিরের বিরুদ্ধে বিষেদাগার না করে যৌতুক,সুদ,অশ্লীলতা,জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করলে ইসলামের কী আরো বেশি উপকার হতো না?আমি ক্ষুদ্র মস্তিষ্ক সর্বোচ্চ ব্যবহার পূর্বক বলছি এর থেকে ভালো কিছু খুঁজে পায়নি।

বাংলাদেশের সস্তা মানুষ

বাংলাদেশের মানুষের দাম সবচেয়ে সস্তা যদিও নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া।বাংলাদেশের একজন কর্মক্ষম মানুষের সজীব প্রাণের দাম মাত্র দশ লাখ টাকা(আবরারের পরিবারকে দশ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল)ক্ষেত্রবিশেষে মূল্য ছাড়।অর্থাৎ সবাই মানুষ মারলে টাকা দিতে হবে এমন কোনো কথা নাই।কতিপয় প্রভাবশালী মানুষ মারলে তাদের টাকা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।বাংলাদেশে যরা বাস করেন তারাখ নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন না?চলুন দেখা যাক জরিপ কীভাবে ব্লগ শিরোনামের যথার্থতা প্রমাণ করে।জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অর্গানাইজেশন(জেট্রো)জরিপে বাংলাদেশের মানুষের পানির দামের কথা বলা হয়েছে।জরিপটি ২০১৮সালে পরিচালিত হয়েছিল এশিয়া_প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৯টি দেশের মধ্যে।জরিপে বলা হয়েছে,বাংলাদেশের উৎপাদন ও সেবা উভয় খাতে নিয়োজিত শ্রমিক,প্রকৌশলী,ব্যবস্থাপক,সব শ্রেণীর লোকবলের মজুরি বেতন সবচেয়ে কম।উৎপাদন খাতে ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন শ্রমিকের মাসিক বেতন ১০৯ মার্কিন ডলার।ভারতে ২৬৫ডলার,ভিয়েতনামে ২২৭মার্কিন ডলার,কম্বোডিয়ায় ২০১ডলার।স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রকৌশলীর বেতনও বাংলাদেশে সবচেয়ে কম।বাংলাদেশে একজন প্রকৌশলীর মাসিক বেতন ২৮৭ডলার,ভিয়েতনামে ৪৩৯ডলার,কম্বোডিয়ায় ৬৪৮ডলার,পাকিস্তান ও ভারতে যথাক্রমে ৪৯২ডলার এবং৫৯১ডলার।বাংলাদেশে উৎপাদন খাতে একজন ব্যবস্থাপকের মাসিক বেতন ৭৯৩ডলার,ভিয়েতনামে ৯৩১ডলার,কম্বোডিয়ায় ১১১৭ডলার,পাকিস্তানে ১২৩৫ডলার,ভারতে ১৩৮২ডলার।অর্থাৎ বাংলাদেশে সবচেয়ে সস্তায় লোকবল পাওয়া যাচ্ছে।জরিপে বলা হয়েছে,জাপানে যে পণ্য তৈরি করতে ১০০ডলার লাগে,বাংলাদেশে তারজন্য লাগে ৫১ডলার,শ্রীলংকায় ৬১ ডলার,কম্বোডিয়ায় ৬৩ডলার,ভিয়েতনামে ৭৩ডলার,মিয়ানমারে ৭৬ডলার,ভারতে ৭৭ডলার,পাকিস্তানে ৮২ডলার।শ্রম সস্তা,শ্রমিক সস্তা,তাই বাংলাদেশে পণ্যের উৎপাদন খরচ কম।তার মানে মালিকদের মুনাফা বেশি।এইটুকু পড়ে নিশ্চয় বাংলাদেশের সস্তা মানুষ শিরোনামের তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারছেন।

নুসরাত এবং নুসরাত,বাংলাদেশ তোমার জন্য দীর্ঘশ্বাস।

  1. পুরো বাংলাদেশের মূল্যবোধ কে যেন ক্ষতবিক্ষত করে চলে গেলো নুসরাত।এককথায় সে যন্ত্রনামুক্ত হয়ে পাড়ি দিলো পরপারে।নুসরাত তো যন্ত্রনামুক্ত হলো আমরা কী যন্ত্রনামুক্ত হতে পারব?নুসরাত যে শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত প্রতিবাদ করল।তার চলে যাওয়ার পর প্রতিবাদ করার কর্তব্যটা আমাদের উপর বর্তায়।নুসরাত যে প্রতিবাদ করার জন্য হত্যার শিকার হলো।সে প্রতিবাদ কি আমরা সমুন্নত করতে পারবো।একটা মানুষকে প্রথমে যৌন হেনস্তা করা হলো।তারপর সে প্রতিবাদ করলে তাকে পুড়িয়ে ফেলা হল।কী পৈশাচিক?প্রশ্ন হলো অধ্যক্ষ সিরাজদ্দৌলা আগে একাধিক যৌনহয়রানির সাথে জড়িত থাকার পরও কেন তাকে আইনের আওতায় আনা গেলো না?তারপর দেখা গেলো সোনাগাজী থানার ওসি নুসরাত হত্যা মামলা কে আত্নহত্যা বলে জালিয়াতি করার পায়তারা করল।এজন্য তার কী শাস্তি হলো?তাকে সোনাগাজী থানা থেকে বদলি করা হল।কর্মস্থল পরিবর্তন করাই কী ঐ ওসির যোগ্য শাস্তি?তার কী আরো কঠিন শাস্তি প্রাপ্য ছিলো না?বোধগম্য নয়।
  2. সিরাজদ্দৌলা হলো বাংলাদেশে যৌননিপীড়কদের মড়েল মাত্র।১৬কোটি মানুষের বাংলাদেশে কতো সিরাজদ্দৌলা যে এভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান,বাড়িঘরে,সমাজে নিষ্পাপ শিশু-কিশোরীদের যৌন নিপীড়ন করে আসছে বলার অপেক্ষা রাখে না।তারা হয়তো নুসরাতের মতো আগুনে না পুড়ে আরো কিছুদিন বেঁচে থাকার জন্য মুখ বুঁজে সহ্য করে যাচ্ছে এই নোংরামী।নুসরাত কিন্তু তার ব্যতিক্রমী কাজ টা করে বেঁচে রইল বাংলার বুকে
  3. ।সবচেয়ে বড় যে বিষয়টা ভালো লাগলো নুসরাত তার সাথে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিল।তার পরিবারও তার সাথে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব ছিল।তার পরিবার তার পাশে ছিলো।বাংলাদেশে সচারচর তার উল্টাটা দেখা যায়।পরিবার তার মেয়ের সম্মানহানীর ভয়ে,মেয়ের বিয়ে দিতে পারবেন না এই ভয়ে তার মেয়ের সাথে ঘটে যাওয়া অন্যায়ে নিরব থাকেন।ক্ষেত্রবিশেষে শালিসি মিটমাট দেখা যায়।তাই এই দিক দিয়ে নুসরাতের পরিবার,নুসরাতকে অভিবাদন জানানো শোভন।কিন্তু অভিবাদন জানিয়ে কী হবে প্রতিবাদের পরিনামে যদি আগুনে পুড়তে হয়।প্রতিবাদ করা কী বাংলাদেশে অপরাধ?এই যাবত আমাদের অনেক সাধুবাদীরা বলে গেছেন নারীদের পোশাক নাকি ধর্ষনের জন্য,যৌন হয়রানির জন্য দায়ী।তাদের মতে খোলামেলা পোশাক ধর্ষনের জন্য,যৌন হয়রানির জন্য সহায়ক।তাদের বলি নুসরাতের পোশাক কী ধর্ষনের জন্য আরাম উপযোগী ছিল?(যদিও নুসরাত কে ধর্ষণসকরা হয়নি।তারপরও অধ্যক্ষ সম্পর্কে নুসরাত তার খাতায় যা লিখে গেছে তা ধর্ষণকেও হার মানায়)।নারীরা যে বোরকা পড়েও ধর্ষনের,যৌন হয়রানির স্বীকার হয় এটা বিশ্বাস করা কী আপনাদের জন্য এখনো কষ্টকর হবে?

পরিশেষে বলব এবার অন্তত নুসরাত হত্যা মামলায় যেন কোন নাটক মঞ্চস্থ না করা হয় হত্যাকারীদের বাঁচাতে।প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তা যেন শুধু বার্তাতে সীমাবদ্ধ না থাকে।না হয় আরো নুসরাত এভাবে পুড়তে থাকবে।এত নুসরাতের জন্য আমাদের চোখে কী যথেষ্ট কান্না জমা আছে?

“গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না”অভিনব প্রতিবাদ

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

Continue reading ““গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না”অভিনব প্রতিবাদ”

বাংলাদেশ এবং উচ্চশিক্ষা

উচ্চশিক্ষার মানের দিক দিয়ে বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে। বৈশ্বিক মানদন্ডে যেখানে পাকিস্তানের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় ১হাজার৬০০এর ঘরে আছে সেখানে বাংলাদেশে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বৈশ্বিক অবস্থান ৩হাজার ১৩!তাই এই বিষয়ে আমি সরকারের মনোযোগী হওয়া দরকার বলে মনে করি।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্লজ্জ ভিসি

গত ২৬মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ইমামুল হক শিক্ষার্থীদের রাজাকারের বাচ্চা বলে গালি দেন।তারপর থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে আছেন।তাদের একটাই দাবি ভিসির পদত্যাগ।

ইতিমধ্যে ডাকসুর ভিপি নুর এবং জিএস রাব্বানী শিক্ষার্থীদের সাথে একাত্মতা পোষণ করেন।কিন্তু ভিসি বলছেন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কারো কথায় তিনি পদত্যাগ করবেন না।সেই থেকে শিক্ষার্থীদের ক্লাস পরীক্ষা বর্জন চলছে।সর্বশেষ গত শনিবার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে টানা ৬ঘন্টা সমাঝোতা বৈঠক করেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক,বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক,বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার,কয়েকজন শিক্ষক।আলোচনা শেষে জাহিদ ফারুক বলেন,উপাচার্য যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে না আসেন তারজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ করবেন।এদিকে লিখিত কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।আমিও তাদের সাথে একমত,এই পদপাগল ভিসি শিক্ষক সম্প্রদায়ের জন্য কলঙ্ক।বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে সর্বোপরি সমর্থন করলাম।

Create your website at WordPress.com
Get started